
পাঁচরুখী বেগম আনোয়ারা ডিগ্রি কলেজে বিশাল জনবল নিয়োগ

ইমাম মাহদী আগমনের পূর্ব লক্ষণ গুলো
ইমাম মাহদী আগমনের পূর্ব লক্ষণ গুলো পর্যালোচনা করে দেখা গেছে সবকিছুই সমসাময়িক বা সম্প্রতি ঘটে গেছে। কোরআন বলছে, পৃথিবীতে যখন তার চাকচিক্য গ্রহণ করবে একেবারে লোভনীয়, কমনীয় সাজে সাজবে তখনই কেয়ামতের বার্তা চলে আসবে। পৃথিবী কি চাকচিক্য ও লোভনীয় সাজে সাজেনি? (২) শেষ যুগে খলিফাদের তিনজন সন্তান কাবা ঘরের গুপ্ত ধন ভান্ডারের কর্তৃত্ব নিয়ে যুদ্ধে জড়িয়ে পড়বে, কেউই কারো উপর বিজয়ী হবে না। তখনই মক্কায় ইমাম মাহাদীর আগমন ঘটবে। এবং সবাই তার হাতে বায়াত গ্রহণ করবেন। এই সহিহ হাদিসটি সৌদী আরবের দিকে তাকালেই বুঝা যায় যে, এটিও খুব শীঘ্রই বাস্তবায়ন হতে যাচ্ছে। অতএব পরিবেশও অলরেডি তৈরি। (৩) ১৪০০ বছর আগে নবী (সাঃ) বলেছিলেন, ঈসা (আঃ) আসমান হতে দামেস্কের জামে মসজিদে পূর্ব সাদা মিনারের উপর দিয়ে এ পৃথিবীতে অবস্থান করবেন। সেই মসজিদ ও সাদা মিনারও রেডি। (৪) বিশ্বব্যাপী যখন সুদের উপর রাজত্ব চলবে তখন তোমরা দেখবে মসজিদের ইমাম হবে বেঈমান, মুয়াজ্জিন হবে বেঈমান এমনকি মসজিদে ভর্তি সব মুসল্লি হবে বেঈমান একজন ইমানদার ব্যক্তিও খুঁজে পাওয়া যাবে না। এটা আমার কথা নয়। নবী (সাঃ) বলেছেন। সেই জামানায় কি আমরা বসবাস করছি না। (৫) একমাত্র গারকাদ নামক গাছ ইহুদীদের কে আশ্রয় দেবে। এ জন্যেই বর্তমান ইহুদীরা দখলকৃত ফিলিস্তিনি এলাকায় এ জাতীয় খুব বেশী করে লাগাচ্ছে। মসজিদ আল আকসার চার দিকেও এ গাছ প্রচুর পরিমানে লাগানো হচ্ছে। কারণ তারা জানে মুসলমানরা তাদেরকে পেলে কচু কাটা করবে। (৬) যে সমস্ত মুসলমান গান-বাজনা ও টিভিতে অর্ধলঙ্গ নারী পুরুষের ফাহেশা ছবি নাটক, সিরিয়াল দেখেন তাদের জন্য দুঃসংবাদ যারা একাজে মত্ত হবে তাদেরকে তিন ধরনের শাস্তি দেয়া হবে। নবী (সাঃ) বলেন-’ (১) মাটির নিচে দাবিয়ে দেয়া হবে (২) উপরে উঠিয়ে নিক্ষেপ করে ধ্বংস করা হবে (৩) চেহারা পরিবর্তন করে শুকুর ও বানর পরিণত করা হবে। তবে চেহারা পরিবর্তনের ঘটনা সম্ভবত এখনও ঘটেনি। যেহেতু নবী (সাঃ) বলেছেন শেষ জামানায় হবে আমরা মুসলিম হিসাবে বিশ্বাস করি যারা গান-বাজনা ও গায়ক -গায়িকা নিয়ে ব্যস্ত থাকবে তাদের উপরে চেহারা বিকৃত করার শাস্তি অবশ্যই আসবে। বিশ্বনবী (সাঃ) তার বাণীতে বলে গেছেন, যখন কিয়ামত খুবই কাছে এসে যাবে, এজন্য তিনি কিয়ামত নিকটবর্তী হওয়ার কতগুলো আলামত জানিয়ে দিয়ে গেছেন। আলামতগুলো হলো- (১) মানুষ ব্যাপক হারে ধর্মবিমুখ হবে। ২) বিভিন্ন রকমের পার্থিব আনন্দ এবং রং-তামাশায় মেতে থাকবে ৩) মসজিদে বসে দুনিয়াদারীর আলাপ-আলোচনায় লিপ্ত হবে। ৪) সমাজে ও রাষ্ট্রে অযোগ্য লোক এবং মহিলা নেতৃত্ব শুরু হবে। ৫) মানুষের মধ্যে ভক্তি শ্রদ্ধা, ¯েœহ, ভালোবাসা কমে যাবে। ৬) ঘন ঘন ভূমিকম্প হতে থাকবে। ৭) সব দেশের আবহাওয়া ব্যাপক পরিবর্তন দেখা দিবে। ৮) অত্যাধিক শিলা বৃষ্টি হবে। ৯) মানুষের রুপ পরিবর্তিত হয়ে পুরুষ স্ত্রী লোকের ন্যায় এবং স্ত্রীলোক পুরুষের রুপ ধারণ করবেন। ১০) ব্যাপক হারে হত্যাকান্ড বেড়ে যাবে। ১১) যখন মানুষ সম্পদ উপার্জনে হালাল-হারামের বাচ-বিচার করবে না। ১২) যাকাত আদায়কে জরিমানা মনে করবে। ১৩) জন্মদাতা পিতাকে দুরে ঠেলে দিয়ে বন্ধু-বান্ধবকে বেশী গুরুত্ব দিবে। ১৪) আল্লাহর ঘর মসজিদে উচ্চস্বরে চিৎকার করা। ১৫) মানুষের মৃত্যু কামনার হার বৃদ্ধি পাবে। ১৬) মসজিদগুলোকে অধিক সুসজ্জিত করার প্রতিযোগিতা চলবে। ১৭) ঘরবাড়ির ডিজাইনও সুসজ্জিত করা হবে। ১৮) আকাশ হতে অধিক হারে বজ্রপাত হয়ে মানুষ মারা যাবে। হঠাৎ মৃত্যুর হার বৃদ্ধি পাবে। ১৯) ইতর শ্রেণির লোকেরা বিশাল সম্পত্তির অধিকারী হবে। ২০) বাজার ও দোকানপাট নিকটবর্তী হয়ে যাবে। ২১) মুমিনের স্বপ্ন সত্য হবে। ২২) মিথ্যা ব্যাপক হারে ধারন করবে। ২৩) অশ্লীলতা, নোংড়ামী প্রদর্শন দেখা দেবে। ২৪) ভারী বৃষ্টি যা প্লাবন সৃষ্টি করবে। ২৫) মা তার মেয়ের কথা মতো চলবে। ২৫) স্যাটেলাইট, টিভি, চ্যানেল আবিস্কার। ২৬) প্রচুর বৃষ্টিপাত হবে ফসল হবে না। ২৭) জেনা-ব্যাভিচার বৃদ্ধি পাবে। ২৮) সুদখোরের সংখ্যা বৃদ্ধি পাবে। ২৯) মদ্যপান হালাল মনে করবে। ৩০) মুসলমানরা শিরকে লিপ্ত হবে। ৩১) বেপর্দা নারীর সংখ্যা বৃদ্ধি পাবে। এই আলামত গুলো যখন দেখা দিবে তখন কিয়ামতের বড় আলামতগুলো নিকটবর্তী হবে। বর্তমান এগুলো ব্যাপক হারে ঘটে যাচ্ছে সুতরাং কেয়ামত অতি সন্নিকটে। তাই আসুন আগে থেকেই সতর্ক হই। আল্লাহ ও রাসূল (সাঃ) এর আনুগত্য করি। সহিহ মুসলিমের একবারে প্রথম হাদিসটির কথাই ধরা যাক। এখানে কিয়ামতের আলামত সমূহ সম্পর্কে বলতে গিয়ে আমাদের নবী (সাঃ) বলেছিলেন, নগ্নপদ, বস্ত্রহীন রাখাল, বেদুইনরা অর্থাৎ যারা খাসি আর গরুর দেখাশোনা করে সেই নগ্নপথ বস্ত্রহীন রাখাল বেদুইনরা উচু বিল্ডিং বানানোর প্রতিযোগীতায় নামবে। নবী (সাঃ) কথাটি বলেছিলেন আজ থেকে ১৪০০ বছরেরও বেশী আগে। কিন্তু গত মাত্র এক দশকে আমরা এমনটি বাস্তবেই ঘটতে দেখছি। অমুসলিমরা যারা কিনা এই হাদিসটি সম্পর্কে অবহিত নয়, তারা পর্যন্ত বলতে শুরু করেছে যে, মধ্যেপ্রাচ্যের আরবরা আকাশচুম্বী অট্টালিকা তৈরির প্রতিযোগিতা মেতে উঠেছে। আমাদের চোখের সামনেই এত বড় মুজিযার বাস্তবায়ন ঘটে যাচ্ছে, এরপরও অস্বীকার করার কোন অজুহাত থাকতে পারে কি? কেয়ামত অনেক দুরে। আসলে কাফিরদের স্বভাব হচ্ছে কেয়ামতকে অনেক দুরে দেখা আর মুমিনদের আকিদা হচ্ছে কেয়ামতকে অতি নিকটে দেখা।
বাংলা টাইপিং এ যারা দুর্বল তাদের কাজে লাগবে:– # শেয়ার করে রাখুন… ১. ক্ষ = ক+ষ ২. ষ্ণ = ষ+ণ ৩. জ্ঞ = জ+ঞ ৪. ঞ্জ = ঞ+জ ৫. হ্ম = হ+ম ৬. ঞ্চ = ঞ+চ ৭. ঙ্গ = ঙ+গ ৮. ঙ্ক = ঙ+ক ৯. ট্ট = ট + ট ১০. ক্ষ্ম = ক্ষ + ম = ক + ষ + ম ১১. হ্ন = হ + ন ১২. হ্ণ = হ + ণ ১৩. ব্ধ = ব + ধ ১৪. ক্র = ক + ্র (র-ফলা) ১৫. গ্ধ = গ + ধ ১৬. ত্র = ত + ্র (র-ফলা) ১৭. ক্ত = ক + ত ১৮. ক্স = ক + স ১৯. ত্থ = ত + থ (উদাহরন: উত্থান, উত্থাপন) ২০. ত্ত = ত + ত (উদাহরন: উত্তম, উত্তর, সত্তর) ২১. ত্ম = ত + ম (উদাহরন: মাহাত্ম্য) নিচের যুক্তবর্ণের তালিকাটি বাংলা সঠিকভাবে ল িখতে সহায়ক হতে পারে। এখানে বাংলায় ব্যবহৃত ২৮৫টি যুক্তবর্ণ দেওয়া হয়েছে। এর বাইরে কোন যুক্তবর্ণ সম্ভবত বাংলায় প্রচলিত নয়। ক্ক = ক + ক; যেমন- আক্কেল, টেক্কা ক্ট = ক + ট; যেমন- ডক্টর (মন্তব্য: এই যুক্তাক্ষরটি মূলত ইংরেজি/ বিদেশী কৃতঋণ শব্দে ব্যবহৃত) ক্ট্র = ক + ট + র; যেমন- অক্ট্রয় ক্ত = ক + ত; যেমন- রক্ত ক্ত্র = ক + ত + র; যেমন- বক্ত্র ক্ব = ক + ব; যেমন- পক্ব, ক্বণ ক্ম = ক + ম; যেমন- রুক্মিণী ক্য = ক + য; যেমন- বাক্য ক্র = ক + র; যেমন- চক্র ক্ল = ক + ল; যেমন- ক্লান্তি ক্ষ = ক + ষ; যেমন- পক্ষ ক্ষ্ণ = ক + ষ + ণ; যেমন- তীক্ষ্ণ ক্ষ্ব = ক + ষ + ব; যেমন- ইক্ষ্বাকু ক্ষ্ম = ক + ষ + ম; যেমন- লক্ষ্মী ক্ষ্ম্য = ক + ষ + ম + য; যেমন- সৌক্ষ্ম্য ক্ষ্য = ক + ষ + য; যেমন- লক্ষ্য ক্স = ক + স; যেমন- বাক্স খ্য = খ + য; যেমন- সখ্য খ্র = খ+ র যেমন; যেমন- খ্রিস্টান গ্ণ = গ + ণ; যেমন – রুগ্ণ গ্ধ = গ + ধ; যেমন- মুগ্ধ গ্ধ্য = গ + ধ + য; যেমন- বৈদগ্ধ্য গ্ধ্র = গ + ধ + র; যেমন- দোগ্ধ্রী গ্ন = গ + ন; যেমন- ভগ্ন গ্ন্য = গ + ন + য; যেমন- অগ্ন্যাস্ত্র, অগ্ন্যুৎপাত, অগ্ন্যাশয় গ্ব = গ + ব; যেমন- দিগ্বিজয়ী গ্ম = গ + ম; যেমন- যুগ্ম গ্য = গ + য; যেমন- ভাগ্য গ্র = গ + র; যেমন- গ্রাম গ্র্য = গ + র + য; যেমন- ঐকাগ্র্য, সামগ্র্য, গ্র্যাজুয়েট গ্ল = গ + ল; যেমন- গ্লানি ঘ্ন = ঘ + ন; যেমন- কৃতঘ্ন ঘ্য = ঘ + য; যেমন- অশ্লাঘ্য ঘ্র = ঘ + র; যেমন- ঘ্রাণ ঙ্ক = ঙ + ক; যেমন- অঙ্ক ঙ্ক্ত = ঙ + ক + ত; যেমন- পঙ্ক্তি ঙ্ক্য = ঙ + ক + য; যেমন- অঙ্ক্য ঙ্ক্ষ = ঙ + ক + ষ; যেমন- আকাঙ্ক্ষা ঙ্খ = ঙ + খ; যেমন- শঙ্খ ঙ্গ = ঙ + গ; যেমন- অঙ্গ ঙ্গ্য = ঙ + গ + য; যেমন- ব্যঙ্গ্যার্থ, ব্যঙ্গ্যোক্তি ঙ্ঘ = ঙ + ঘ; যেমন- সঙ্ঘ ঙ্ঘ্য = ঙ + ঘ + য; যেমন- দুর্লঙ্ঘ্য ঙ্ঘ্র = ঙ + ঘ + র; যেমন- অঙ্ঘ্রি ঙ্ম = ঙ + ম; যেমন- বাঙ্ময় চ্চ = চ + চ; যেমন- বাচ্চা চ্ছ = চ + ছ; যেমন- ইচ্ছা চ্ছ্ব = চ + ছ + ব; যেমন- জলোচ্ছ্বাস চ্ছ্র = চ + ছ + র; যেমন- উচ্ছ্রায় চ্ঞ = চ + ঞ; যেমন- যাচ্ঞা চ্ব = চ + ব; যেমন- চ্বী চ্য = চ + য; যেমন- প্রাচ্য জ্জ = জ + জ; যেমন- বিপজ্জনক জ্জ্ব = জ + জ + ব; যেমন- উজ্জ্বল জ্ঝ = জ + ঝ; যেমন- কুজ্ঝটিকা জ্ঞ = জ + ঞ; যেমন- জ্ঞান জ্ব = জ + ব; যেমন- জ্বর জ্য = জ + য; যেমন- রাজ্য জ্র = জ + র; যেমন- বজ্র ঞ্চ = ঞ + চ; যেমন- অঞ্চল ঞ্ছ = ঞ + ছ; যেমন- লাঞ্ছনা ঞ্জ = ঞ + জ; যেমন- কুঞ্জ ঞ্ঝ = ঞ + ঝ; যেমন- ঝঞ্ঝা ট্ট = ট + ট; যেমন- চট্টগ্রাম ট্ব = ট + ব; যেমন- খট্বা ট্ম = ট + ম; যেমন- কুট্মল ট্য = ট + য; যেমন- নাট্য ট্র = ট + র; যেমন- ট্রেন (ম ট্ম = ট + ম; যেমন- কুট্মল ট্য = ট + য; যেমন- নাট্য ট্র = ট + র; যেমন- ট্রেন (মন্তব্য: এই যুক্তাক্ষরটি মূলত ইংরেজি/ বিদেশী কৃতঋণ শব্দে ব্যবহৃত) ড্ড = ড + ড; যেমন- আড্ডা ড্ব = ড + ব; যেমন- অন্ড্বান ড্য = ড + য; যেমন- জাড্য ড্র = ড + র; যেমন- ড্রাইভার, ড্রাম (মন্তব্য: এই যুক্তাক্ষরটি মূলত ইংরেজি/ বিদেশী কৃতঋণ শব্দে ব্যবহৃত) ড়্গ = ড় + গ; যেমন- খড়্গ ঢ্য = ঢ + য; যেমন- ধনাঢ্য ঢ্র = ঢ + র; যেমন- মেঢ্র (ত্বক) (মন্তব্য: অত্যন্ত বিরল) ণ্ট = ণ + ট; যেমন- ঘণ্টা ণ্ঠ = ণ + ঠ; যেমন- কণ্ঠ ণ্ঠ্য = ণ + ঠ + য; যেমন- কণ্ঠ্য ণ্ড = ণ + ড; যেমন- গণ্ডগোল ণ্ড্য = ণ + ড + য; যেমন- পাণ্ড্য ণ্ড্র = ণ + ড + র; যেমন- পুণ্ড্র ণ্ঢ = ণ + ঢ; যেমন- ষণ্ঢ ণ্ণ = ণ + ণ; যেমন- বিষণ্ণ ণ্ব = ণ + ব; যেমন- স্হাণ্বীশ্বর ণ্ম = ণ + ম; যেমন- চিণ্ময় ণ্য = ণ + য; যেমন- পূণ্য ৎক = ত + ক; যেমন- উৎকট ত্ত = ত + ত; যেমন- উত্তর ত্ত্ব = ত + ত + ব; যেমন- সত্ত্ব ত্ত্য = ত + ত + য; যেমন- উত্ত্যক্ত ত্থ = ত + থ; যেমন- অশ্বত্থ ত্ন = ত + ন; যেমন- যত্ন ত্ব = ত + ব; যেমন- রাজত্ব ত্ম = ত + ম; যেমন- আত্মা ত্ম্য = ত + ম + য; যেমন- দৌরাত্ম্য ত্য = ত + য; যেমন- সত্য ত্র = ত + র যেমন- ত্রিশ, ত্রাণ ত্র্য = ত + র + য; যেমন- বৈচিত্র্য ৎল = ত + ল; যেমন- কাৎলা ৎস = ত + স; যেমন- বৎসর, উৎসব থ্ব = থ + ব; যেমন- পৃথ্বী থ্য = থ + য; যেমন- পথ্য থ্র = থ + র; যেমন- থ্রি (three) (মন্তব্য: এই যুক্তাক্ষরটি মূলত ইংরেজি/ বিদেশী কৃতঋণ শব্দে ব্যবহৃত) দ্গ = দ + গ; যেমন- উদ্গম দ্ঘ = দ + ঘ; যেমন- উদ্ঘাটন দ্দ = দ + দ; যেমন- উদ্দেশ্য
একনজরে গুরুত্বদিন বিভিন্ন দিবস সমুহ: =========================== ১০ জানুয়ারি ==> বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস। ১৯ জানুয়ারি ==> জাতীয় শিক্ষক দিবস। ২০ জানুয়ারি ==> শহীদ আসাদ দিবস। ১৪ ফেব্রুয়ারি ==> সুন্দরবন দিবস। (ভালোবাসা দিবস) ২১ ফেব্রুয়ারি ==> শহীদ দিবস। ২৮ ফেব্রুয়ারি ==> জাতীয় ডায়াবেটিস সচেতনতা দিবস। ২ মার্চ ==> জাতীয় পতাকা দিবস। ৮ মার্চ ==> বিশ্ব নারী দিবস। ১৭ মার্চ ==> শিশু দিবস। ২১ মার্চ ==> বিশ্ব বৈষম্য দিবস। ২২ মার্চ ==> বিশ্ব পানি দিবস। ২৩ মার্চ ==> বিশ্ব আবহাওয়া দিবস। ২৪ মার্চ ==> বিশ্ব যক্ষা দিবস। ২৬ মার্চ ==> স্বাধীনতা দিবস। ৩১ মার্চ ==> জাতীয় দুর্যোগ প্রস্তুতি দিবস। ২ এপ্রিল ==> জাতীয় প্রতিবন্ধী দিবস। ৭ এপ্রিল ==> বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস। ১৭ এপ্রিল ==> মুজিবনগর দিবস। ২৩ এপ্রিল ==> বিশ্ব গ্রন্থ ও গ্রন্থস্বত্ব দিবস। ২৬ এপ্রিল ==> বিশ্ব মেধা সম্পদ দিবস। ১ মে ==> মহান মে দিবস। ৩ মে ==> বিশ্ব সংবাদপত্র স্বাধীনতা দিবস। ৪ মে ==> আন্তর্জাতিক শিশু দিবস। ১৩ মে ==> বিশ্ব মা দিবস। ১৫ মে ==> বিশ্ব পরিবার দিবস। ১৬ মে ==> ফারাক্কা দিবস। ১৭ মে ==> বিশ্ব টেলিযোগাযোগ দিবস। ২২ মে ==> বিশ্ব জীববৈচিত্র দিবস। ২৫ মে ==> কাজী নজরুল ইসলাম-এর জন্মবার্ষিকী। ২৮ মে ==> নিরাপদ মাতৃত্ব দিবস। ২৯ মে ==> বিশ্ব জাতিসংঘ শান্তি রক্ষা দিবস। ৩১ মে ==> বিশ্ব তামাক মুক্ত দিবস। ৫ জুন ==> বিশ্ব পরিবেশ দিবস। ৭ জুন ==> ছয় দফা দিবস। ১২ জুন ==> বিশ্ব শিশুশ্রম প্রতিরোধ দিবস। ১৩ জুন ==> নারী উত্ত্যক্তকরণ প্রতিরোধ দিবস বা ইভ টীজিং প্রতিরোধ দিবস। ২৩ জুন ==> পলাশী দিবস। ২০ জুন ==> বিশ্ব উদ্বাস্তু দিবস। ২১ জুন ==> বিশ্ব সংগীত দিবস। ১ জুলাই ==> ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় দিবস। ৩ জুলাই ==> জন্ম নিবন্ধন দিবস। ৭ জুলাই ==> বিশ্ব সমবায় দিবস। ১০ জুলাই ==> মুসক দিবস। ১১ জুলাই ==> বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস। ১৮ জুলাই ==> ম্যান্ডেলা দিবস। ২৯ জুলাই ==> বিশ্ব বাঘ দিবস। ৬ আগস্ট ==> হিরোসিমা দিবস। ৯ আগস্ট ==> বিশ্ব আদিবাসী দিবস ও নাগাসাকি দিবস। আগস্ট এর প্রথম রবিবার ==> বিশ্ব বন্ধু দিবস। ১২ আগস্ট ==> বিশ্ব যুব দিবস। ১৫ আগস্ট ==> জাতীয় শোক দিবস। ৮ সেপ্টেম্বর ==> বিশ্ব স্বাক্ষরতা / নিরক্ষরতা দিবস। ১৫ সেপ্টেম্বর==> জাতীয় আয়কর দিবস। সেপ্টেম্বর এর তৃতীয় মঙ্গলবার ==> বিশ্ব শান্তি দিবস। ১৭ সেপ্টেম্বর==> মহান শিক্ষা দিবস। ৫ অক্টোবর ==> শিক্ষক দিবস। ৯ অক্টোবর ==> বিশ্ব ডাক দিবস। ১৬ অক্টোবর ==> বিশ্ব খাদ্য দিবস। ২২ অক্টোবর==> জাতীয় সড়ক নিরাপদ দিবস। ৩ নভেম্বর==> জেলহত্যা দিবস। ৪ নভেম্বর==> সংবিধান দিবস। ৭ নভেম্বর==> জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস। ১০ নভেম্বর==> নূর হোসেন দিবস বা স্বৈরাচার বিরোধী দিবস ও মালাল দিবস। ২১ নভেম্বর==> সশস্ত্রবাহিনী দিবস। ১ ডিসেম্বর==> মুক্তিযোদ্ধা দিবস ও বিস্ব এইডস দিবস। ৩ ডিসেম্বর ==> বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস। ৬ ডিসেম্বর==> স্বৈরাচার পতন দিবস* বা সংবিধান সংরক্ষণ দিবস। ৯ ডিসেম্বর==> রোকেয়া দিবস। ১০ ডিসেম্বর ==> বিশ্ব মানবাধিকার দিবস। ১৪ ডিসেম্বর==> শহীদ বুদ্ধিজীবি দিবস। ১৬ ডিসেম্বর==> বিজয় দিবস। ১৮ ডিসেম্বর ==> আন্তর্জাতিক অভিবাসী দিবস।
বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের চাকরির বিজ্ঞপ্তি


