খালেদা প্রসঙ্গে বিল ক্লিনটন বললেন ওয়ার্ল্ড পলিটিক্স ইজ নাউ ডিফিকাল্ট মুক্তির দাবিতে বিএনপির হয়ে ভারতে চাপ সৃষ্টি করতে আসছেন ব্রিটিশ এমপি

খালেদা প্রসঙ্গে বিল ক্লিনটন বললেন ওয়ার্ল্ড পলিটিক্স ইজ নাউ ডিফিকাল্ট
মুক্তির দাবিতে বিএনপির হয়ে ভারতে চাপ
সৃষ্টি করতে আসছেন ব্রিটিশ এমপি

 

খালেদা প্রসঙ্গে বিল ক্লিনটন বললেন ওয়ার্ল্ড পলিটিক্স ইজ নাউ ডিফিকাল্ট

বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া প্রসঙ্গে সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন বলেছেন, ওয়ার্ল্ড পলিটিক্স ইজ নাউ ডিফিকাল্ট। জাসাসের  কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক আন্তর্জাতিক সম্পাদক ও আমেরিকার ডেমোক্র্যাটিক পার্টির রেজিস্টার্ড ভোটার গোলাম ফারুক শাহীনকে এসব কথা বলেন বিল ক্লিনটন। তিনি বলেন, ‘আমি জানি সবকিছু’। বৃহস্পতিবার নিউইয়র্ক সিটি থেকে ৪০ মাইল দূরে হান্টিংটন সিটির একটি কর্মসূচিতে তিনি  এসব কথা বলেন। অন্যদিকে, বেগম খালেদা জিয়ার নিঃশর্ত মুক্তি ও তাঁর বিরুদ্ধে সব মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে বিএনপি এবার ভারতের ওপর আন্তর্জাতিক চাপ তৈরির সিদ্ধান্ত নিয়েছে। লন্ডন থেকে হাউস অব লর্ডসের সদস্য অ্যালেক্স কারলিলি চলতি মাসের প্রথম সপ্তাহে দিল্লি যাচ্ছেন। তিনি দিল্লিতে ভারত সরকার এবং সাংবাদিকদের সঙ্গে মিলিত হবেন। তবে ভারত সরকারের কোন স্তরের প্রতিনিধির সঙ্গে মিলিত হবেন তা এখনো জানা যায়নি। জানা গেছে, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ব্রিটিশ এমপির ভারতে যাওয়ার যাবতীয় উদ্যোগ নিয়েছেন। সেই সময়ে ঢাকা থেকে বেগম জিয়ার আইনজীবীরাও ভারতে যাবেন। লর্ডস অ্যালেক্স মনে করেন, বেগম জিয়ার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। তাকে আসন্ন নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতার সুযোগ দেওয়ার জন্য আবেদন জানাবেন তিনি। লর্ডস অ্যালেক্স জানিয়েছেন, বাংলাদেশ সরকার তাকে ভিসা দিতে বিলম্ব করাতেই তিনি ভারতে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। তিনি নিজেকে বেগম জিয়ার আন্তর্জাতিক আইনি পরামর্শক বলেও জানান। অবশ্য ব্রিটিশ এমপি ভারত যাওয়ার আগেই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপদেষ্টা এইচ টি ইমাম জুলাই মাসে ভারত যাচ্ছেন। তিনি ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অব কালচার রিলেশনসের (আইসিসিআর) চেয়ারম্যান বিনয় সহস্রবুদ্ধের সঙ্গে বৈঠক করবেন। সহস্রবুদ্ধ হলেন বিজেপির রাজ্যসভার সদস্য। নিউইয়র্ক প্রতিনিধি জানান, সাবেক প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন এবং খ্যাতনামা লেখক জেমস প্যাটারসনের যৌথভাবে লেখা  ‘দ্য প্রেসিডেন্ট ইজ মিসিং’ নামক একটি বই বিক্রি-বিষয়ক অনুষ্ঠানের আয়োজন হয় ‘বুক রিভ্যু’ নামক স্টোরে। গত মে মাসে আমাজনে এ বিষয়ে নোটিস দেওয়া হয়। বলা হয়, মাথাপিছু ৩০ ডলারের টিকিট ক্রয় করে ঢুকতে হবে ওই অনুষ্ঠানে, এরপর অটোগ্রাফসহ বই দেওয়া হবে। দেড় ঘণ্টার মধ্যে ৫০০ টিকিট বিক্রি হয়ে যায়। প্রবেশমুখে ছিল দীর্ঘ লাইন। অতিক্রম করতে হয় সর্বোচ্চ নিরাপত্তাবেষ্টনী। সিক্রেট সার্ভিসের লোকজন বিভিন্নভাবে তল্লাশির পর মেটাল ডিটেক্টর দিয়েও পরখ করা হয় প্রত্যেক টিকিটধারীকে। এরপর যথারীতি লাইন দিয়েই বই হাতে ক্লিনটনের টেবিলে  পৌঁছান সবাই। অংশ নেওয়া প্রত্যেকেই তাকে শ্রদ্ধা জানান এবং হাসিমুখে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। ক্লিনটন নিজে থেকেও অনেকের কাছে নানান কিছু জানতে চান। সেখানেই বাংলাদেশি-আমেরিকান গোলাম ফারুক শাহীন তার কেনা বইয়ে অটোগ্রাফ সংগ্রহ ও শুভেচ্ছা বিনিময় করতে গিয়ে বাংলাদেশ প্রসঙ্গ উত্থাপন করেন। বেগম খালেদা জিয়ার কথা উল্লেখ করতেই তিনি মন্তব্য করেন, আমি জানি সবকিছু। ওয়ার্ল্ড পলিটিক্স ইজ নাউ ডিফিকাল্ট। পরে গোলাম ফারুক শাহীন ক্লিনটনকে বলেন, ‘৭৫ বছর বয়সী বেগম খালেদা জিয়াকে জেলে নেওয়া হয়েছে রাজনৈতিক প্রতিহিংসামূলক মামলায় জড়িয়ে। মানবিক কারণেও তাকে জামিন দেওয়া হচ্ছে না। একটি মামলায় জামিন হলে আরেকটি দাঁড় করানো হচ্ছে।’ পরে এ বিষয়গুলো শুনলেও কোনো মন্তব্য করেননি ক্লিনটন। চুপচাপ শাহীনের বইয়ে অটোগ্রাফ দেওয়া শেষ করেন সাবেক এই মার্কিন প্রেসিডেন্ট। জানা যায়, ‘দ্য প্রেসিডেন্ট ইজ মিসিং’ বইতে যুক্তরাষ্ট্রের রাজনৈতিক পরিস্থিতির টালমাটাল অবস্থার বর্ণনা করে ট্রাম্প-অস্থিরতা কীভাবে বিশ্বকে গ্রাস করছে তা তুলে ধরা হয়েছে। এমন অবস্থায় যুক্তরাষ্ট্র যে একজন দক্ষ প্রেসিডেন্টের অনুপস্থিতি বোধ করছে তাই তুলে ধরা হয়েছে বইয়ে।

কাদের সিদ্দিকীর আসনে কী হচ্ছে?

কাদের সিদ্দিকীর আসনে কী হচ্ছে?

 

কাদের সিদ্দিকীর আসনে কী হচ্ছে?

কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী বীরউত্তম ঐক্যফ্রন্টের অন্যতম নেতা হিসেবে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করবেন টাঙ্গাইল-৮ (সখীপুর-বাসাইল) আসনে। মুক্তিযুদ্ধে কাদেরিয়া বাহিনীর ঘাঁটি ও তার রাজনৈতিক দল কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের জন্ম এই টাঙ্গাইল-৮ (সখীপুর-বাসাইল)। এ আসনে ১৯৯৬ ও ২০০১ সালে দুইবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী বীরউত্তম। এদিকে, আওয়ামী লীগ থেকে কৃষিবিদ শওকত মোমেন শাহজাহান চারবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। তার মৃত্যুতে উপনির্বাচনে তার ছেলে অনুপম শাহজাহান জয় এমপি নির্বাচিত হওয়ার পর তৃতীয় বারের মতো বিজয়ী হতে চায় আওয়ামী লীগ। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বর্তমান সংসদ সদস্য অনুপম শাহজাহান জয়, টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক ভিপি অ্যাডভোকেট জোয়াহেরুল ইসলাম ও বুয়েট ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও আওয়ামী লীগের উপ-কমিটির সহসাধারণ সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার আতাউল মাহমুদসহ আরও ১১ জন আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম ক্রয় করেছেন।

এ ছাড়া জাতীয় পার্টি থেকে রেজাউল করিমসহ দুজন ও বিএনপি থেকে অ্যাডভোকেট আহমেদ আযম খানসহ সাতজন মনোনয়ন ফরম ক্রয় করেছেন।

তারেক জিয়া নয়, বগুড়ার প্রার্থী চূড়ান্ত করেছে স্থায়ী কমিটি

তারেক জিয়া নয়, বগুড়ার প্রার্থী চূড়ান্ত করেছে স্থায়ী কমিটি

 

তারেক জিয়া নয়, বগুড়ার প্রার্থী চূড়ান্ত করেছে স্থায়ী কমিটি

এবার প্রার্থী চূড়ান্ত করতে বসেছে বিএনপি। কারাগারে যাওয়ার আগে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার করা জরিপ ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের পৃথক জরিপকে সামনে রেখেই প্রার্থী তালিকা চূড়ান্ত করা হচ্ছে। এ নিয়ে স্থায়ী কমিটির দফায় দফায় বৈঠক চলছে। সঙ্গে স্কাইপিতে সরাসরি যুক্ত হচ্ছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানও। যুক্তি-পাল্টা যুক্তি দিয়ে অপেক্ষাকৃত যোগ্য প্রার্থীকেই চূড়ান্ত করা হচ্ছে।

এক্ষেত্রে কারও ব্যক্তিগত কোনো সুপারিশ খাটছে না বলে স্থায়ী কমিটির একজন সদস্য বাংলাদেশ প্রতিদিনকে জানিয়েছেন। তিনি আরও জানান, জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট ও ২০-দলীয় জোটের শরিক দলগুলোর জন্য ৫০ আসন রেখে প্রার্থী চূড়ান্ত করা হচ্ছে। এক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট আসনগুলোতে বিএনপির প্রার্থী রাখার পাশেই ক্রস চিহ্ন দিয়ে বলা হচ্ছে, জোট ও ফ্রন্টকে ছেড়ে দেওয়া হবে।

গত বৃহস্পতিবার গুলশানে চেয়ারপারসন কার্যালয়ে বিকাল থেকে শুরু হওয়া স্থায়ী কমিটির বৈঠক চলে মধ্যরাত পর্যন্ত। পরে বৈঠক মুলতবি রাখা হয়। গতকাল শুক্রবার বিকাল ৩টার দিকে আবারও বৈঠক শুরু হয়। বৈঠক চলে মধ্যরাত পর্যন্ত। বৈঠকে স্কাইপিতে যুক্ত হন তারেক রহমান। প্রার্থীর যোগ্যতা সম্পর্কে স্থায়ী কমিটি নিজস্ব মতামত তুলে ধরে। এ সময় বিগত সময়ের করা জরিপগুলোও সামনে আনা হয়। অপেক্ষাকৃত যোগ্য প্রার্থীকেই চূড়ান্ত করা হচ্ছে।

বৈঠক সূত্রে জানা যায়, কোথাও কোথাও বিকল্প প্রার্থীও রাখা হচ্ছে। মামলা, ঋণখেলাপিসহ নানা কারণে প্রথম প্রার্থী নির্বাচন করতে না পারলে দ্বিতীয়জনকেই বেছে নেওয়া হবে। তবে প্রথম প্রার্থীকেই দলীয় প্রতীক দেওয়া হবে বলে জানা গেছে। বিকল্প প্রার্থী প্রয়োজনে স্বতন্ত্র নির্বাচন করতে পারেন বলে জানা গেছে।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির একটি সূত্র জানায়, সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে আগামী সোম-মঙ্গলবারের মধ্যেই প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করা হতে পারে। এবার যে প্রক্রিয়ায় প্রার্থী বাছাই করা হচ্ছে, তা এককথায় অসাধারণ। কারও ব্যক্তিগত কোনো চাওয়া পাওয়া থাকছে না। জিয়া পরিবারের আত্মীয় বলেও কেউ পার পাচ্ছেন না।

জানা যায়, দিনাজপুরে জিয়া পরিবারের এক আত্মীয়ের পক্ষে সুপারিশ করেন স্থায়ী কমিটির পাঁচ-ছয়জন সদস্য। তারেক রহমান স্কাইপিতে বলেন, তার চেয়েও কোনো যোগ্য প্রার্থী আছেন কি-না। এ সময় ওই ব্যক্তির নাম উল্লেখ করা হলে তারেক রহমান তাকেই সায় দেন। এ ছাড়া বগুড়া জেলার দায়িত্ব তারেক রহমানের হাতে ছেড়ে দেয় বিএনপির স্থায়ী কমিটি।

তারেক রহমান বলেন, সারা দেশে আপনারা প্রার্থী নির্ধারণ করছেন, বগুড়াও আপনারাই করবেন। পরে বগুড়ার প্রার্থী তালিকা চূড়ান্ত করে বিএনপির স্থায়ী কমিটি।  বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার, মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, নজরুল ইসলাম খান ও আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

ঠাকুরগাঁওয়ে ধানের শীষে মির্জা ফখরুল, নৌকাতে কে

ঠাকুরগাঁওয়ে ধানের শীষে মির্জা ফখরুল, নৌকাতে কে?
আবদুল লতিফ লিটু, ঠাকুরগাঁও

     

    ঠাকুরগাঁওয়ে ধানের শীষে মির্জা ফখরুল, নৌকাতে কে?

    আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ-বিএনপিসহ বড় রাজনৈতিক দলগুলোর মনোনয়ন পেতে সম্ভাব্য প্রার্থীদের ঘুম হারাম হয়ে গেছে। শেষ মুহূর্তে এসে এখন প্রার্থিতা নিশ্চিত করতে লবিং-তদবির-দৌড়ঝাঁপ-দেনদরবারে ব্যস্ত তারা।

    প্রভাবশালী নেতাদের বাসাবাড়িতে এখন রীতিমতো উপচে পড়া ভিড়। আওয়ামী লীগ ও বিএনপির কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ নেতাকে ‘তুষ্ট’ করার জন্য হেন চেষ্টা নেই, যা তারা করছেন না।

    ঠাকুরগাঁও-১ আসনে ধানের শীষ মার্কায় ইতিমধ্যে  বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর একক প্রার্থী হিসেবে মনোনীত সেটি দলীয় সূত্রে নিশ্চিত হওয়া গেছে। অন্যদিকে নৌকায় মনোনয়ন পেতে আওয়ামী লীগ থেকে ঠাকুরগাঁও-১ আসনে মনোনয়ন ক্রয় ও জমা দিয়েছেন ১৪ জন।

    ঠাকুরগাঁও আসনটিতে এবার আওয়ামী লীগের প্রার্থী পরিবর্তনের আশায় ছিল তৃণমূল থেকে জেলা আওয়ামী লীগের বেশির ভাগ নেতা-কর্মী। মিডিয়ায় ঠাকুরগাঁও-১ আসনের নৌকার প্রার্থী রমেশ চন্দ্র সেনের নাম থাকায় আওয়ামী লীগের কর্মীদের মধ্যে চাপা ক্ষোভ বিরাজ করছে। যা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে লক্ষণীয়।

    দুই আসনে নির্বাচন করবেন শেখ হাসিনা

     

    দুই আসনে নির্বাচন করবেন শেখ হাসিনা

    একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চূড়ান্ত প্রার্থীদের আনুষ্ঠানিকভাবে চিঠি দেয়া শুরু করেছে আওয়ামী লীগ। আজ রবিবার সকালে বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ের দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে এ চিঠি তুলে দেয়া হচ্ছে।

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দুই আসন থেকে মনোনয়ন নিয়েছেন। আসনগুলো হল গোপালগঞ্জ-৩ (টু্ঙ্গিপাড়া-কোটালিপাড়া) ও রংপুর-৬ ।

    গত ৯ নভেম্বর থেকে মনোনয়ন পত্র বিক্রি শুরু করে আওয়ামী লীগ। ওই দিন শেখ হাসিনার পক্ষে মনোনপত্র ক্রয় করেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। নির্বাচনে ওবায়দুল কাদের লড়বেন নোয়াখালী-৫ আসন থেকে।

    একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে মোট চার হাজার ২৩টি মনোনয়ন ফরম বিক্রি করে আওয়ামী লীগ।

    বিডি প্রতিদিন/ফারজানা

    নির্বাচনের তারিখ নির্ধারণ করে যে তফসিল ঘোষণার করা হয়েছে তা স্থগিত চেয়ে হাইকোর্টে একটি রিট দায়ের করা হয়েছে।

    একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তারিখ নির্ধারণ করে যে তফসিল ঘোষণার করা হয়েছে তা স্থগিত চেয়ে হাইকোর্টে একটি রিট দায়ের করা হয়েছে।

    সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ইউনুস আলী আকন্দ রোববার (২৫ নভেম্বর) হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় এই রিট করেন।

    এ রিটের বিষয়ে আইনজীবী ইউনুস আলী আকন্দ গণমাধ্যমকে বলেন, ‘জাতীয় সংসদ বহাল রেখে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না রিটে এ মর্মে রুল চাওয়া হয়েছে এবং প্রধান নির্বাচন কমিশনার কর্তৃক একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের যে তফসিল ঘোষণা করেছেন তা স্থগিত চাওয়া হয়েছে।’

    আইনজীবী ইউনুস আলী আকন্দ আরও বলেন, সংসদ বহাল রেখে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের যে তফসিল ঘোষণা করা হয়েছে তা সংবিধানের ৬৬ অনুচ্ছেদ এবং আরপিও এর ১২ ধারার পরিপন্থী মনে করেই আজ আমি রিট আবেদনটি করেছি।

    ৩০০ আসনে কে দলের টিকিট পাচ্ছেন

    দলগুলোর মনোনয়ন ফরম বিক্রির কার্যক্রম শেষ হওয়ার পর থেকেই অপেক্ষা ছিল ৩০০ আসনে কে দলের টিকিট পাচ্ছেন তা জানার। কোন দল আগে তাদের চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা দেবে তা নিয়ে নানা জল্পনা-কল্পনা ছিল। অবশেষে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগই প্রথম মনোনয়ন প্রাপ্তদের চিঠি দেয়া শুরু করল। আজ রবিবার (২৫ নভেম্বর) সকাল ১০টা থেকে বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ের দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে চূড়ান্ত প্রার্থীদের হাতে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার স্বাক্ষরযুক্ত চিঠি তুলে দেয়া হচ্ছে। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থীদের তালিকায় যাদের নাম আছে- তারা হলেন- অ্যাডভোকেট নূরুল ইসলাম সুজন (পঞ্চগড়-২), রমেশচন্দ্র সেন (ঠাকুরগাঁও-১), দবিরুল ইসলাম (ঠাকুরগাঁও-২), খালিদ মাহমুদ চৌধুরী (দিনাজপুর-২), ইকবালুর রহিম (দিনাজপুর-৩), আবুল হাসান মাহমুদ আলী (দিনাজপুর-৪), অ্যাডভোকেট মোস্তাফিজুর রহমান ফিজার (দিনাজপুর-৫), আসাদুজ্জামান নূর (নীলফামারী-২), মোতাহার হোসেন (লালমনিরহাট-১), নুরুজ্জামান আহমেদ (লালমনিরহাট-২), টিপু মুনশি (রংপুর-৪), এইচএন আশিকুর রহমান (রংপুর-৫), মাহাবুব আরা বেগম গিনি (গাইবান্ধা-২), ডা. ইউনুস আলী সরকার (গাইবান্ধা-৩), শামসুল আলম দুদু (জয়পুরহাট-১), আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন (জয়পুরহাট-২), আবদুল মান্নান (বগুড়া-১), হাবিবুর রহমান (বগুড়া-৫), সাধনচন্দ্র মজুমদার (নওগাঁ-১), শহীদুজ্জামান সরকার (নওগাঁ-২), আবদুল মালেক (নওগাঁ-৫), ইসরাফিল আলম (নওগাঁ-৬), ওমর ফারুক চৌধুরী (রাজশাহী-১), প্রকৌশলী এনামুল হক (রাজশাহী-৪), শাহরিয়ার আলম (রাজশাহী-৬), অ্যাডভোকেট জুনাইদ আহমেদ পলক (নাটোর-৩), মোহাম্মদ নাসিম (সিরাজগঞ্জ-১), ডা. হাবিবে মিল্লাত (সিরাজগঞ্জ-২), আবদুল মজিদ মন্ডল (সিরাজগঞ্জ-৫), হাসিবুর রহমান স্বপন (সিরাজগঞ্জ-৬), আহমেদ ফিরোজ কবির (পাবনা-২), মকবুল হোসেন (পাবনা-৩), শামসুর রহমান শরীফ ডিলু (পাবনা-৪), গোলাম ফারুক প্রিন্স (পাবনা-৫), ফরহাদ হোসেন দোদুল (মেহেরপুর-১), মাহবুব উল আলম হানিফ (কুষ্টিয়া-৩), আবদুর রউফ (কুষ্টিয়া-৪), সোলায়মান হক জোয়ার্দ্দার ছেলুন (চুয়াডাঙ্গা-১), আলী আজগার টগর (চুয়াডাঙ্গা-২), শেখ আফিল উদ্দিন (যশোর-১), কাজী নাবিল আহমেদ (যশোর-৩), রণজিৎ কুমার রায় (যশোর-৪), স্বপন ভট্টাচার্য (যশোর-৫), ইসমাত আরা সাদেক (যশোর-৬), বীরেন শিকদার (মাগুরা-২), সাইফুজ্জামান শিখর (মাগুরা-১), মাশরাফি বিন মুর্তজা (নড়াইল-২), শেখ হেলাল উদ্দিন (বাগেরহাট-১), হাবিবুন্নাহার (বাগেরহাট-৩), পঞ্চানন বিশ্বাস (খুলনা-১), মুন্নুজান সুফিয়ান (খুলনা-৩), আবদুস সালাম মুর্শেদী (খুলনা-৪), নারায়ণচন্দ্র চন্দ (খুলনা-৫), অধ্যাপক ডা. আ ফ ম রুহুল হক (সাতক্ষীরা-৩), এসএম জগলুল হায়দার (সাতক্ষীরা-৪), অ্যাডভোকেট ধীরেন্দ্রচন্দ্র দেবনাথ শম্ভু (বরগুনা-১), শওকত হাচানুর রহমান রিমন (বরগুনা-২), আ খ ম জাহাঙ্গীর হোসাইন (পটুয়াখালী-৩), তোফায়েল আহমেদ (ভোলা-১), নুরুন্নবী চৌধুরী শাওন (ভোলা-৩), আবদুল্লাহ আল ইসলাম জ্যাকব (ভোলা-৪), আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ (বরিশাল-১), অ্যাডভোকেট তালুকদার মোহাম্মদ ইউনুস (বরিশাল-২), পংকজ দেবনাথ (বরিশাল-৪), জেবুন্নেছা আফরোজ (বরিশাল-৫), আমির হোসেন আমু (ঝালকাঠি-২), ড. আবদুর রাজ্জাক (টাঙ্গাইল-১), আতাউর রহমান খান (টাঙ্গাইল-৩), হাসান ইমাম খান (টাঙ্গাইল-৪), ছানোয়ার হোসেন (টাঙ্গাইল-৫), খন্দকার আবদুল বাতেন (টাঙ্গাইল-৬), একাব্বর হোসেন (টাঙ্গাইল-৭), সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম (কিশোরগঞ্জ-১), রেজওয়ান আহমেদ তৌফিক (কিশোরগঞ্জ-৪), নূর মোহাম্মদ (কিশোরগঞ্জ-২), আফজাল হোসেন (কিশোরগঞ্জ-৫), নাজমুল হাসান পাপন (কিশোরগঞ্জ-৬), এএম নাঈমুর রহমান দুর্জয় (মানিকগঞ্জ-১), জাহিদ মালেক স্বপন (মানিকগঞ্জ-৩), সাগুফতা ইয়াসমিন এমিলি (মুন্সীগঞ্জ-২), অ্যাডভোকেট মৃণাল কান্তি দাস (মুন্সীগঞ্জ-৩), নসরুল হামিদ বিপু (ঢাকা-৩), সাবের হোসেন চৌধুরী (ঢাকা-৯), ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস (ঢাকা-১০), একেএম রহমতুল্লাহ (ঢাকা-১১), আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল (ঢাকা-১২), কামাল আহমেদ মজুমদার (ঢাকা-১৫), ইলিয়াস উদ্দিন মোল্লা (ঢাকা-১৬), আ ক ম মোজাম্মেল হক (গাজীপুর-১), জাহিদ আহসান রাসেল (গাজীপুর-২), সিমিন হোসেন রিমি (গাজীপুর-৪), মেহের আফরোজ চুমকি (গাজীপুর-৫), লে. কর্নেল (অব) নজরুল ইসলাম হিরু বীরপ্রতীক (নরসিংদী-১), সিরাজুল ইসলাম মোল্লা (নরসিংদী-৩), অ্যাডভোকেট নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন (নরসিংদী-৪), নজরুল ইসলাম বাবু (নারায়ণগঞ্জ-২), একেএম শামীম ওসমান (নারায়ণগঞ্জ-৪), কাজী কেরামত আলী (রাজবাড়ী-১), ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশাররফ হোসেন (ফরিদপুর-৩), কাজী জাফরউল্লাহ (ফরিদপুর-৪), লে. কর্নেল (অব) ফারুক খান (গোপালগঞ্জ-১), শেখ ফজলুল করিম সেলিম (গোপালগঞ্জ-২), শেখ হাসিনা (গোপালগঞ্জ-৩), নূর-ই-আলম চৌধুরী লিটন (মাদারীপুর-১), শাজাহান খান (মাদারীপুর-২), একেএম এনামুল হক শামীম (শরীয়তপুর-২), ইকবাল হোসেন অপু (শরীয়তপুর-১), নাহিম রাজ্জাক (শরীয়তপুর-৩), মির্জা আজম (জামালপুর-৩), রেজাউল করিম হিরা (জামালপুর-৫), আতিউর রহমান আতিক (শেরপুর-১), মতিয়া চৌধুরী (শেরপুর-২), একেএম ফজলুল হক চান (শেরপুর-৩), জুয়েল আরেং (ময়মনসিংহ-১), অ্যাডভোকেট মোসলেম উদ্দিন (ময়মনসিংহ-৬), ফাহমী গোলন্দাজ বাবেল (ময়মনসিংহ-১০), অসীম কুমার উকিল (নেত্রকোনা-৩), ইঞ্জিনিয়ার মোয়াজ্জেম হোসেন রতন (সুনামগঞ্জ-১), জয়া সেনগুপ্তা (সুনামগঞ্জ-২), এমএ মান্নান (সুনামগঞ্জ-৩), মুহিবুর রহমান মানিক (সুনামগঞ্জ-৫), ড. মোহাম্মদ ফরাসউদ্দিন (হবিগঞ্জ-৪), মাহমুদ-উস সামাদ চৌধুরী কয়েস (সিলেট-৩), ইমরান আহমদ (সিলেট-৪), নুরুল ইসলাম নাহিদ (সিলেট-৬), শাহাব উদ্দিন (মৌলভীবাজার-১), সৈয়দা সায়রা মহসিন (মৌলভীবাজার-৩), অ্যাডভোকেট আনিসুল হক (ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪), ক্যাপ্টেন (অব) এবি তাজুল ইসলাম (ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬), অ্যাডভোকেট আবদুল মতিন খসরু (কুমিল্লা-৫), আ ক ম বাহাউদ্দিন বাহার (কুমিল্লা-৬), অধ্যাপক আলী আশরাফ (কুমিল্লা-৭), আ হ ম মুস্তফা কামাল লোটাস (কুমিল্লা-১০), মুজিবুল হক (কুমিল্লা-১১), মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া বীরবিক্রম (চাঁদপুর-২), ডা. দীপু মনি (চাঁদপুর-৩), এইচএম ইব্রাহিম (নোয়াখালী-১), ওবায়দুল কাদের (নোয়াখালী-৫), একেএম শাজাহান কামাল (লক্ষ্মীপুর-৩), ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন (চট্টগ্রাম-১), ড. হাছান মাহমুদ (চট্টগ্রাম-৭), ব্যারিস্টার মুহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল (চট্টগ্রাম-৯), সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ (চট্টগ্রাম-১৩), সাইমুম সরওয়ার কমল (কক্সবাজার-৩), শাহীনা আক্তার চৌধুরী (কক্সবাজার-৪), কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা (খাগড়াছড়ি) ও বীর বাহাদুর উ শৈ সিং (বান্দরবান)। বাকি আসনের কিছু শরীকদের; যেগুলোর তালিকা সংশ্লিষ্ট দলের কাছে দেয়া হয়েছে। আর কিছু চিঠি ইস্যুর অপেক্ষায়।